আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ১০ লাখ সদস্য নির্বাচনের মাঠে

নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী র‍্যাব ও বিজিবি ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে সব নির্বাচনি এলাকায় দায়িত্ব পালন করবে। ভোট গ্রহণের দুই দিন পর অর্থাত্ ১৩ দিন তারা মাঠে থাকবে। তবে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য ৩ জানুয়ারি থেকে নির্বাচনি দায়িত্ব পালন শুরু করবে। এর পাশাপাশি থেকে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী পুলিশ ও আনসার মাঠে কাজ করছে।

উল্লেখ্য, গত ২১ ডিসেম্বর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের রাজনৈতিক-৬ শাখা থেকে জারি করা এক নির্দেশনায় সশস্ত্র বাহিনী, বিজিবি, কোস্ট গার্ড, আমর্ড পুলিশ, আনসার ব্যাটালিয়ন, র‍্যাব, পুলিশ ও আনসার-ভিডিপির নির্বাচনি মাঠে তাদের কার্যপরিধি বণ্টন করা হয়।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সূত্র জানায়, প্রায় ২ লাখ পুলিশ নির্বাচনকে সামনে রেখে সরাসরি মাঠে কাজ করবে। এর সঙ্গে আনসার-ভিডিপির ৬ লাখ সদস্য মোতায়েন থাকবে। এর মধ্যে প্রায় ৫ লাখ ভিডিপি (ভিলেজ ডিফেন্স পার্টি) সদস্য। সশস্ত্র বাহিনী, বিজিবি, কোস্ট গার্ড, র‍্যাব, আমর্ড পুলিশ, ব্যাটালিয়ন আনসার ও কোস্ট গার্ডের প্রায় ২ লাখ সদস্য মোবাইল টিম ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে। সব মিলিয়ে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সুষুমভাবে সম্পন্ন করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ১০ লাখ সদস্য মাঠে কাজ করবে।

র‍্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, ‘নির্বাচনে দেশের নিরাপত্তা পরিকল্পনার অংশ হিসেবে অন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি র‍্যাব মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করবে। আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনে হেলিকপটার ও ডগ স্কোয়াড নিয়োগ করা হবে।’